স্পেশাল সিবিটি বন্ধ, কোরিয়ায় অবৈধ বেড়ে যাওয়ার আশংকা

কোরিয়ায় কর্মরত ইপিএস কর্মীদের নির্দিষ্ট ৪ বছর ১০ মাস কাজ করার পর দেশে ফেরত গিয়ে স্পেশাল সিবিটি পরীক্ষা দিয়ে আসার সুযোগ পান। গত রবিবার স্পেশাল সিবিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর ইপিএস কর্মীদের মধ্যে হাতাশার সৃষ্টি হয়েছে। যারা নির্ধারিত মেয়াদ শেষ করে ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ফেরত গিয়েছেন তাদের অনেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে খবরটির সত্যতা জানার চেষ্ঠা করেছেন। যারা দেশে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের মধ্যে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দে রয়েছেন।

বাংলা টেলিগ্রাফে এইচআরডি কোরিয়ার ঢাকার জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ শামশুল আলমের ফেসবুক পোস্টের সূত্র দিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর অনেকেই সংবাদের সত্যতা জানার জন্য যোগাযোগ করেন। অনেকেই এই ধরণের তড়িঘড়ি সিদ্ধান্তকে অন্যায্য বলে হতাশা প্রকাশ করেন।

স্পেশাল সিবিটি বন্ধের ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সিউলস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব জাহিদুল ইসলাম ভুঁইয়া বাংলা টেলিগ্রাফকে জানান এখনো সরকারীভাবে এই ধরণের কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। তিনি এই ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানাবেন বলে জানিয়েছেন।

কোরিয়ার কোন সংবাদ মাধ্যম, ইপিএস সম্পর্কিত কোন ওয়েবসাইটেও স্পেশাল সিবিটি বন্ধের কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। এখনো অফিসিয়াল কোন সূত্রে সংবাদটি যাছাই করা সম্ভব হয়নি। ফলে পুনরায় কোরিয়ায় আসার জন্য স্পেশাল সিবিটি পরীক্ষার জন্য অপেক্ষারতদের মধ্যে ধোঁয়াশা এখনো কাটছে না।

eps-shamsul

গত ডিসেম্বরের ২২ তারিখ কোরিয়ান সরকার ২০১৭ সালে ৫৬ হাজার বিদেশী নেওয়ার ঘোষণা দেয়। যার মধ্যে ১৩ হাজার পুরাতন (রিএন্ট্রি) এবং ৪৩ হাজার নতুন কর্মী নেওয়ার কথা জানানো হয়।

এই বছর পর্যন্ত কমিটেড ওয়ার্কার এবং স্পেশাল সিবিটি এই দুই পদ্ধতির মাধ্যমে কোরিয়াতে পুনরায় আসার সুযোগ ছিল। স্পেশাল সিবিটি বন্ধ হয়ে গেলে শুধু কমিটেড ওয়ার্কাররা পুনরায় আসার সুযোগ পাবেন।