হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে স্যামসাংয়ের লাখো স্মার্টফোন

samsungস্যামসাং ব্র্যান্ডের লাখো স্মার্টফোন হ্যাকিংয়ের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে দাবি করেছেন এক নিরাপত্তা গবেষক। তাঁর অভিযোগ, বিশ্বের শীর্ষ স্মার্টফোন নির্মাতা হিসেবে স্মার্টফোনকে ঝুঁকিমুক্ত করতে যথেষ্ট ব্যবস্থা নেয়নি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি। তবে এ অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে স্যামসাং কর্তৃপক্ষ।

প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান আনুবিস ল্যাবসের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা জোয়াও গোভিয়া তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক ওয়েবসাইট মাদারবোর্ডকে বলেছেন, স্যামসাং ডিভাইসে প্রিইনস্টল থাকা একটি অ্যাপের ডোমেইন নবায়ন করতে ভুলে গেছে স্যামসাং। ফলে লাখো স্যামসাং ডিভাইস হ্যাকিংয়ের ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ওই ডোমেইনটি স্যামসাং ডিভাইসে থাকা স্টক অ্যাপ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয়।

২০১৪ সালে এস সাজেস্ট নামের একটি অ্যাপ স্মার্টফোনে প্রিইনস্টল করে দেয় স্যামসাং। পরে ওই অ্যাপটি ব্যবহার বন্ধ করে ডোমেইনটি আর নবায়ন করেনি প্রতিষ্ঠানটি। এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় এর নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছেন নিরাপত্তা গবেষক। এভাবে হ্যাকাররা লাখো স্মার্টফোনের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারেন।

অবশ্য গোভিয়া দাবি অস্বীকার করেছে স্যামসাং কর্তৃপক্ষ। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে স্যামসাং বলেছে, মেয়াদ ফুরানো ওই ডোমেইনের নিয়ন্ত্রণ নিলেও ডিভাইসে ক্ষতিকর অ্যাপ্লিকেশন ঢোকানোর বা ফোনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ নেই।

গত এপ্রিলেও স্যামসাং কর্তৃপক্ষ এ ধরনের সমস্যার মুখে পড়েছিল। ওই সময় ইসরায়েলের এক গবেষক দাবি করেছিলেন, স্যামসাংয়ের তৈরি টাইজেন অপারেটিং সিস্টেম নিরাপদ নয়। তিনি বলেছিলেন, তাঁর দেখা সবচেয়ে বাজে কোডিং ব্যবহৃত হয়েছে টাইজেনে। তথ্যসূত্র: ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস