সেন্টমার্টিন দ্বীপ নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যানের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। সোমবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা উপলক্ষে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরে আসতে শুরু করেছে। দ্বীপটি নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যানের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এ জন্য জলবায়ু ট্রাস্ট থেকে একটি প্রকল্প নেওয়ার উদ্যোগ চলছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপ নিয়ে কোনো আশঙ্কা থাকার কথা নয় জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এটিকে বাঁচানো দরকার। দ্বীপটি বাঁচাতে পারলেই সব আশঙ্কা দূর হয়ে যাবে।
শব্দদূষণ বিধিমালা পরিবর্তন করে দূষণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা পুলিশকে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পে যেভাবে করে কাজটা হয়েছিল যদি সাধারণভাবেও বিচার করি খুব একটা কার্যকর কিছু আমরা করতে পারিনি। ফলে আমরা নতুন করে ওই প্রকল্পটাকে ঢেলে সাজাচ্ছি। যেখানে বিআরটিএ এগিয়ে আসবে এবং বিআরটিএ পুলিশ বাহিনী চালকদের ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবে। আমরা শব্দদূষণ বিধিমালাটা পরিবর্তন করে পুলিশকে ক্ষমতা দিচ্ছি।
তিনি বলেন, এত বছরের অভ্যাস আপনি একদিনে পরিবর্তন করতে পারবেন না। কিন্তু এনফোর্সমেন্টটা যাতে শুরু হয়, একই সঙ্গে আপনারা দেখেছেন যে আমরা বিমানবন্দর এলাকায় এবং সচিবালয় এলাকায় ১০ দিন ক্যাম্পেইন করেছিলাম। এ রকম ক্যাম্পেইন কাজগুলো আমরা অব্যাহত রাখব। দেশের শপিং সেন্টারগুলো শতভাগ পলিথিন ব্যাগমুক্ত হয়েছে দাবি করে উপদেষ্টা বলেন, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় পাটের ব্যাগ উৎপাদন করবে। ক্রেতারাও সুলভমূল্যে পাটের ব্যাগ পাবেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান এবং বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী।