
ফাইল ছবি
ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও রোহিঙ্গা বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এসব বৈঠকে নবনিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত তারেক এম. আরিফুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
প্রথম বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি অ্যালিসন হুকার অন্তর্বর্তী সরকারের পদক্ষেপ ও আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বের প্রতি ওয়াশিংটনের পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। আলোচনায় আঞ্চলিক রাজনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিও গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন তিনি।
জাতিসংঘ আয়োজিত রোহিঙ্গা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা ৬০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান ড. রহমান।
এছাড়া তিনি পৃথকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রিন্সিপাল ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি নিকোল চুলিক ও ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অ্যান্ড্রু হারাপের সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা দিক এবং সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো নিয়ে মতবিনিময় হয়।
বাণিজ্য ইস্যুতেও আলাদা বৈঠক করেন ড. রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ব্রেন্ডান লিঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে সম্প্রতি শেষ হওয়া শুল্ক আলোচনার পরবর্তী ধাপ নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় তিনি দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর জন্য বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং শুল্কের ব্যবধান হ্রাস অব্যাহত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা কামনা করেন। লিঞ্চ আশ্বাস দেন, ঘাটতি কমে আসার সঙ্গে সঙ্গে শুল্ক ছাড়ের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে।