
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, বাকশাল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গণমাধ্যমের ওপর দমনপীড়ন শুরু হয়। সাংবাদিকদের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানই সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনেন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, “নির্বাচনের ঘোষণা ইতোমধ্যেই দেওয়া হয়েছে। আশা করি এরমধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়গুলো সম্পন্ন হবে। গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক ধারায় দেশের অগ্রগতি সম্ভব।”
তিনি আরও বলেন, “বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিএনপির ৬০ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছিল, ২০ হাজারেরও বেশি নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে এবং অনেকে গুম হয়েছেন। গণতন্ত্রকামী শক্তিগুলোর ওপর সে সময় চালানো হয়েছিল ভয়াবহ দমন-পীড়ন।”
তিনি নয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রশংসা করে বলেন, “বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে এই পত্রিকার সাংবাদিকদের ওপর ছিল দমন-পীড়নের ভয়াবহ ছায়া। তবুও তারা গণমানুষের চেতনা ও সত্যের সংবাদ প্রচারে অটল ছিলেন। বিএনপি তাদের এই সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।”
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে ফখরুল বলেন, “২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হয়েছে। সংস্কার সনদে সই করা দলগুলোর ঐক্যের মাধ্যমে আমরা একটি গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই। গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারে সবাইকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।”
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি নয়া দিগন্ত পরিবারের প্রতি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।