
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফাইল ছবি
দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে অবতরণের পর গণসংবর্ধনা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখার মধ্য দিয়ে তার প্রথম দিনের ব্যস্ততা শেষ হয়েছে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, লন্ডন থেকে দীর্ঘ আকাশপথের ভ্রমণ এবং দেশে ফিরে টানা কর্মসূচির কারণে তিনি কিছুটা ক্লান্ত। তাই আজ বিশ্রাম শেষে আগামীকাল শুক্রবার থেকে তিনি পুনরায় তার আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু করবেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, শুক্রবার এবং শনিবার তারেক রহমানের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি রয়েছে।
শুক্রবারের (২৬ ডিসেম্বর) কর্মসূচি: শুক্রবার জুমার নামাজের পর তারেক রহমান প্রথমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে যাবেন। সেখানে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করবেন। শহীদ জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া শেষে তিনি সরাসরি সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
শনিবারের (২৭ ডিসেম্বর) কর্মসূচি: পরদিন শনিবার সকালেই তারেক রহমান আগারগাঁওস্থ নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। সেখানে তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে ভোটার তালিকায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।
নির্বাচন কমিশনের কাজ শেষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যাবেন। সেখানে জাতীয় কবির মাজার সংলগ্ন স্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করবেন তিনি। এরপর শনিবার বিকেলে তারেক রহমান শ্যামলীতে অবস্থিত জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) যাবেন। সেখানে তিনি জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেবেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবেন।
তারেক রহমানের এই দুই দিনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর দলের শীর্ষ নেতাকে সরাসরি বিভিন্ন কর্মসূচিতে দেখার জন্য নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।