
ছবি: সংগৃহীত
রাজশাহীতে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ায় রাজশাহী অঞ্চলের ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আগের দিনের তুলনায় একদিনেই তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে। ফলে এ মৌসুমে এটাই এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ভোরে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ১০০ শতাংশ। ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা নেমে আসে মাত্র ৬০০ মিটারে। সকালজুড়ে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া বিরাজ করলেও কোথাও বৃষ্টিপাত হয়নি।
তীব্র শীত ও কুয়াশার প্রভাবে রাজশাহীর নিম্ন আয়ের মানুষ, দিনমজুর, রিকশাচালক ও বয়স্করা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটায় অনেকের দৈনন্দিন আয় কমে গেছে। একই সঙ্গে ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে।
রাজশাহী নগরীর উপশহর এলাকার রিকশাচালক আব্দুল করিম বলেন, ভোরে রাস্তায় বের হতে খুব কষ্ট হয়। হাত-পা অবশ হয়ে আসে, যাত্রীও কম থাকে।
একই এলাকার দিনমজুর রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রচণ্ড শীতে কাজে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। কাজ না পেলে সংসার চালানোই দায় হয়ে যায়।
এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে ভোরের দিকে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সকাল থেকে হেডলাইট জ্বালিয়ে প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে।
রাজশাহী আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানান, আগামী কয়েকদিন রাজশাহী অঞ্চলে শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকতে পারে। তিনি প্রয়োজন ছাড়া ভোরে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।