
ফাইল ছবি
নির্বাচনী হলফনামায় নিজের আয় ও সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব অভিযোগের জবাব দেন।
পোস্টে নাহিদ ইসলাম জানান, হলফনামায় উল্লেখিত ১৬ লাখ টাকার বাৎসরিক আয় কোনো হঠাৎ অর্জিত অর্থ নয়; এটি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মোট আয়। এর মধ্যে প্রায় ১১ লাখ টাকা তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রীয়ভাবে নির্ধারিত বেতন-ভাতা হিসেবে পেয়েছেন। বাকি আয় এসেছে পদত্যাগের পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কনসালটেন্ট হিসেবে বৈধ পেশাগত কাজ থেকে।
মোট সম্পদ নিয়ে অপপ্রচারের জবাবে তিনি বলেন, তার ঘোষিত ৩২ লাখ টাকার সম্পদ এক বছরের আয় নয়, বরং দীর্ঘ জীবনের সঞ্চয়ের সমষ্টি। এতে বেতন থেকে সঞ্চয়, পূর্ববর্তী সেভিংস, উপহার, স্বর্ণালংকার, আসবাব ও ইলেকট্রনিক পণ্যের মূল্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম জানান, তার বর্তমানে মাত্র দুটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে এবং হলফনামায় তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তার নামে কোনো জমি, ফ্ল্যাট বা গাড়ি নেই বলেও তিনি দাবি করেন।
পেশাগত পরিচয় নিয়েও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, হলফনামায় কোথাও তাকে শিক্ষক হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি; উপদেষ্টা ও বর্তমানে কনসালট্যান্সিই তার পেশা। তিনি দাবি করেন, তার আয় ও সম্পদের সব তথ্য আইনগতভাবে যাচাইযোগ্য এবং স্বচ্ছতার কারণেই তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে।