
নিহত পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথবাহিনীর অভিযানে আটক পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু হেফাজতে থাকা অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়।
যৌথবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, অভিযানের সময় ডাবলুর কাছ থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাত ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ডাবলুর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে তাকে আটক করা হয়। এরপর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে।
নিহতের ভাই, জীবননগর উপজেলা বন কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম কাজল অভিযোগ করে বলেন, তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রিমনও অভিযোগ করেন, শনিবার দিবাগত রাতে ডাবলুসহ তাদের চার ভাইকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন বিজিএমইএ সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং আইন নিজের হাতে না নেওয়ার অনুরোধ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, নিহতের পরিবার বাদী হয়ে মামলা করবে।
এদিকে, সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মরদেহটি সেনাবাহিনীর পাহারায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে রাখা হয়। বাইরে রাত থেকেই শত শত স্থানীয় মানুষ সড়কে অবস্থান নিয়ে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।