
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় নির্দেশনা অমান্য করে প্রায় ৫০টি আসনে বিএনপির ৯১ জন বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াননি। দলীয় টিকিট না পেয়ে অনেক সাবেক ও বর্তমান নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় স্থানীয় ইউনিটগুলোতে বিভক্তি তৈরি হয়েছে। বহিষ্কারের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করেই তারা ভোটের মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।
মঙ্গলবার ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বহু প্রার্থী সরে দাঁড়ালেও বিএনপির বিদ্রোহীরা মাঠ ছাড়েননি। ঢাকার ২০টি আসনে ২৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। তবে জোট চুক্তিতে মিত্র দলকে দেওয়া অন্তত ছয়টি আসনেও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়ে গেছেন।
এবার বিএনপি ২৯২টি আসনে প্রার্থী দিলেও তিনজনের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় এখন ২৮৯টি আসনে ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছে দলটি। বহিষ্কৃত যুবদল নেতা সাইফুল আলম নীরব ঢাকা-১২ আসনে, রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ডা. শহিদুল ইসলাম সাতক্ষীরা-৩ এবং হাসান মামুন পটুয়াখালী-৩ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন।
আজ চূড়ান্ত বৈধ প্রার্থী ও স্বতন্ত্রদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। প্রতীক পাওয়ার পরই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা।
এদিকে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস ও জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) নির্ধারিত সময়ের আগে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে সতর্ক করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে বিএনপির এক প্রার্থী ও জামায়াতের সাত শীর্ষ নেতার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে অপপ্রচার ছড়ানোর অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের সহযোগিতার কারণেই মানুষ সঠিক তথ্য পাচ্ছে।