
ফাইল ছবি
ফেনীকে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে মনে করা হয়। এখান থেকেই ছয়বার নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফেনীর মানুষ তাকে নিজের মেয়ে হিসেবে দেখতেন এবং গর্ব করে বলতেন, “ফেনীর মেয়ে খালেদা, গর্ব মোদের আলাদা।”
দীর্ঘ দুই দশক পর এবার ফেনীর মাটিতে যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সর্বশেষ ২০০৬ সালে ফেনীতে এসেছিলেন তিনি। তার আগমনে জেলা জুড়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। ফেনীর মানুষ নানা প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির সঙ্গে তাকে বরণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ফেনী শহর থেকে গ্রামপ্রান্ত পর্যন্ত তৈরি হয়েছে আনন্দ ও উদ্দীপনার ছোঁয়া। জেলা বিএনপির নেতারা মনে করছেন, এটি শুধুই একটি সাংগঠনিক সফর নয়, বরং ফেনীর রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুর আহম্মদ মজুমদার বলেন, “খালেদা জিয়া ফেনীর মানুষের হৃদয়ে দীর্ঘদিনের ভালোবাসা পেয়েছেন। সেই ভালোবাসা এবার তারেক রহমানের প্রতি। ফেনীর মানুষ তাকে হৃদয় খুলে বরণ করবে।”
ফেনীর উত্তরের তিন উপজেলার দীর্ঘদিনের বন্যা সমস্যা, দক্ষিণের দুই উপজেলার নদী ভাঙনরোধে মুসাপুর ক্লোজার নির্মাণ, একটি মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা—এসব বিষয়ও তারেক রহমানের কাছে জনগণের অগ্রাধিকার দাবির অংশ হবে। জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রশিদ আহম্মদ মজুমদার বলেন, “আগামীর রাষ্ট্রনায়কের কাছে আমাদের দাবি থাকবে যাতে ফেনীর দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধান হয়।”
বিএনপির নেতারা বলছেন, ফেনী পাইলট হাই স্কুল মাঠে ২৫ জানুয়ারি তারেক রহমানের সমাবেশ হবে ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য। তাদের মতে, জনস্রোতের মাধ্যমে ফেনী মানুষের ভালোবাসা তিনি অনুভব করবেন। দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আসনের প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলমও বলেন, “জনস্রোতে ভালোবাসায় সিক্ত হবেন তারেক রহমান।”