
ছবি: সংগৃহীত
অভিবাসী চোরাচালান ও মানবপাচারবিরোধী আইনে দোষী সাব্যস্ত এক বাংলাদেশি যুবককে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন মালয়েশিয়ার শাহ আলম হাইকোর্ট।
শাহ আলম হাইকোর্টের (ক্রিমিনাল-৬) বিচারক গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাব্বি হোসেন (২১) নামের অভিযুক্তকে এই সাজা দেন। মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম) জানায়, অভিযুক্ত চারজন অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীকে গোপনে আশ্রয় ও সুরক্ষা দেওয়ার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, সাজা গ্রেফতারের দিন থেকেই কার্যকর হবে।
আদালতে প্রমাণিত হয়েছে, রাব্বি হোসেন একটি অভিবাসী শেল্টার হাউসের কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, যা অবৈধভাবে অভিবাসী পাচারের ট্রানজিট কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এই মামলার তদন্ত বিশেষ অভিযান চালিয়ে উন্মোচিত হয়। ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর সেলাঙ্গরের পেটালিং জায়া এলাকার রুমাহ পাংসা রাম্পাই ইদামান ও প্রাইমা দামানসারার আবাসিক ইউনিট থেকে রাব্বি হোসেনসহ চারজন বাংলাদেশি অভিবাসীকে আটক করা হয়।
জেআইএম এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অভিবাসী চোরাচালান ও মানবপাচার রোধে তাদের অভিযান ও আইনি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্যকারী ব্যক্তি, চক্র বা ভবন মালিকদের বিরুদ্ধে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তারা জনগণকে অবৈধ অভিবাসীকে আশ্রয় বা সহায়তা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ আরও জানায়, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় তারা ভবিষ্যতেও নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম জোরদার করবে।