
জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের এক বিশেষ অধিবেশনে চীনের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন জেনেভায় নিযুক্ত চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি
ইরানের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আয়োজিত জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের এক বিশেষ অধিবেশনে চীনের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন জেনেভায় নিযুক্ত চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি চিয়া কুইত্য। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো সে দেশের জনগণেরই নির্ধারণ করা উচিত, বাইরের কোনো শক্তির নয়।
আইসল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশের অনুরোধে আয়োজিত এই অধিবেশনে চিয়া কুইত্য চীনের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, প্রতিটি দেশেরই নিজস্ব পদ্ধতিতে মানবাধিকার উন্নয়নের পথ বেছে নেওয়ার স্বাধীন অধিকার রয়েছে।
এই প্রসঙ্গে তিনি মানবাধিকারের প্রশ্নে চীনের তিনটি মূল আপত্তির কথা উল্লেখ করেন, প্রথমত, মানবাধিকারের অজুহাতে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ; দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট দেশের সম্মতি ছাড়াই বিশেষ মানবাধিকার ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া; এবং তৃতীয়ত, মানবাধিকারের ক্ষেত্রে দ্বৈত নীতির প্রয়োগ। চীন এই তিনটিরই কঠোর বিরোধী।
চীনা প্রতিনিধি আরও বলেন, ইরানে বর্তমানে যা ঘটছে তা মূলত দেশটির নিজস্ব বা অভ্যন্তরীণ বিষয়। চীন সবসময় জাতিসংঘের চার্টার এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার পক্ষপাতী। তার মতে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগের হুমকি বা নিজের ইচ্ছা অন্য দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার সংস্কৃতি ‘জঙ্গলের রাজত্বে ফিরে যাওয়ার শামিল, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।