
দুই–তৃতীয়াংশ আসনে জয় পাওয়ার পর সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। শপথ গ্রহণ কীভাবে এবং কার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে—সে বিষয়ে দলটির ভেতরে এখন বিস্তারিত আলোচনা চলছে। বিশেষ করে সংসদ কার্যকর না থাকলে শপথ পাঠের সাংবিধানিক ও আইনি প্রক্রিয়া কী হবে, তা খতিয়ে দেখছেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা।
শুক্রবার রাতে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন দলের কয়েকজন শীর্ষ নেতা। বৈঠক শেষে স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, শপথ গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে সম্ভাব্য সব দিক পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ হলে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার না থাকায় তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে শপথ পড়ানোর সুযোগ রয়েছে। সেই হিসাব অনুযায়ী ১৭ তারিখের মধ্যেই শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রচলিত রীতিতে, সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেন এবং একই দিন বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ গ্রহণ করেন। বর্তমান আইনে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান। তবে তারা অনুপস্থিত বা অসমর্থ হলে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তি এ দায়িত্ব পালন করতে পারেন। আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সম্ভব না হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়ানোর ক্ষমতা রাখেন।
এই প্রেক্ষাপটে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে শপথ আয়োজন করা হলে তার আইনি ভিত্তি ও প্রক্রিয়া নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করছে বিএনপি।