
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে ভারসাম্যপূর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ১৬ বছরের ক্ষতি ১৮ মাসে পূরণ সম্ভব না হলেও বাংলাদেশ এখন দৃঢ়ভাবে স্বৈরাচারী ব্যবস্থা থেকে সরে গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের পথে এগোচ্ছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র পুনর্গঠনে সংস্কার কার্যক্রম শুরু করে। গত ১৮ মাসে প্রায় ১৩০টি আইন প্রণয়ন ও ৬০০টির বেশি নির্বাহী আদেশ জারি করা হয়েছে, যার বড় অংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন হয়েছে।
অর্থনীতি ও পররাষ্ট্র সম্পর্কেও অগ্রগতির কথা জানিয়ে বলা হয়, জাপান ও চীনের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার হয়েছে এবং যুক্তরােষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় শুল্কহার কমানো সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী হয়েছে এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভারসাম্যপূর্ণ হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
আইন-শৃঙ্খলা ও বিচার ব্যবস্থায় সংস্কারের অংশ হিসেবে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন পুনর্গঠন, ব্যাংকিং তদারকি জোরদার এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে তথ্য প্রকাশে স্বাধীনতা দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এসব উদ্যোগ একটি নাগরিকবান্ধব রাষ্ট্র কাঠামো গঠনের সূচনা।