
ছবি: সংগৃহীত
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টিকে থাকার ‘বাঁচামরার’ লড়াইয়ে দাপুটে জয় পেয়েছে পাকিস্তান। নামিবিয়াকে ১০২ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টের সুপার এইট নিশ্চিত করেছে সালমান আলি আগার দল। কলম্বোতে অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথমে ব্যাট হাতে পাহাড়সম রান এবং পরে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে আনপ্রেডিক্টেবলরা।
গ্রুপ পর্বের ৪ ম্যাচের মধ্যে ৩টিতে জয় নিয়ে দ্বিতীয় পর্বে পা রাখল পাকিস্তান। একমাত্র চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে হারলেও বাকি ম্যাচগুলোতে দাপট বজায় রেখেছে তারা। অন্যদিকে, পাকিস্তানের এই বিশাল জয়ের দিনে ৪ ম্যাচের সবকটিতে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল নামিবিয়া।
কলম্বোতে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহানের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে ৩ উইকেটে ১৯৯ রানের বিশাল পুঁজি দাঁড় করায় তারা। সাইম আইয়ুব (১৪) ও খাজা নাফে (৫) দ্রুত ফিরলেও অধিনায়ক সালমান আলি আগা ২৩ বলে ৩৮ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন। তবে ম্যাচের আকর্ষণ ছিল সাহিবজাদার ব্যাট। ৩৭ বলে ফিফটি ছোঁয়ার পর সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে তিনি খরচ করেন মাত্র ২০ বল। শেষ পর্যন্ত ৫৮ বলে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষ দিকে শাদাব খানও ২২ বলে ৩৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন।
২০০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি নামিবিয়ার ব্যাটাররা। উসমান তারিক ও শাদাব খানের ঘূর্ণিতে ১৭.৩ ওভারে মাত্র ৯৭ রানেই গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস। নামিবিয়ার পক্ষে লরেন স্টিনক্যাম্প (২৩) ও আলেকজান্ডার বুসিং (২০) ছাড়া আর কেউ দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি। পাকিস্তানের পক্ষে উসমান তারিক ১৬ রানে ৪টি এবং শাদাব খান ১৯ রানে ৩টি উইকেট শিকার করে নামিবিয়ার ব্যাটিং অর্ডার ধসিয়ে দেন।
এই বিশাল জয়ের ফলে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থেকেই সুপার এইট মিশন শুরু করতে যাচ্ছে পাকিস্তান। ব্যাটিং ও বোলিং—উভয় বিভাগেই এমন ভারসাম্যপূর্ণ পারফরম্যান্স সমর্থকদের মনে শিরোপা জয়ের নতুন আশার সঞ্চার করেছে।