
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে সরকারকে আলটিমেটাম দিয়ে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান উদ্যোগ না নেওয়া হলে ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের সদস্যসচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলীর স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৫ সালের অষ্টম পে–স্কেলে ১১–২০ গ্রেডের কর্মচারীদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে আবেদন-নিবেদন ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা হলেও কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয়নি। গত ১১ বছর ধরে নতুন পে–স্কেল না হওয়ায় এবং দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় মারাত্মকভাবে বেড়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
সংগঠনটি জানায়, ২০১৯ সাল থেকে বৈষম্যহীন নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি চলমান রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গঠিত অষ্টম পে–কমিশনের প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়া হলেও এখনো পে–স্কেল কার্যকর হয়নি।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান, একই সময়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের মাধ্যমে মন্ত্রিসভার সদস্যদের কাছে স্মারকলিপি হস্তান্তর ও পবিত্র রমজান মাসজুড়ে বিভাগীয় শহরগুলোতে প্রতিনিধি সমাবেশ ও সাংগঠনিক কর্মসূচি পালন।
সংগঠনটি আরও জানায়, ১৫ মার্চের মধ্যে নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ না এলে ঈদুল ফিতরের পর ২৮ মার্চ পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।