
ছবি: সংগৃহীত
সুপার এইটে শক্তিশালী পাকিস্তানকে হারিয়ে সবার আগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড। অনবদ্য সেঞ্চুরিতে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন হ্যারি ব্রুক। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসে টানা পাঁচবার সেমিফাইনালে খেলার কীর্তিও গড়ল ইংলিশরা।
পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি পাকিস্তান। ৭ বলে ৭ রান করে বিদায় নেন সাইম আইয়ুব। সাহিবজাদা ফারহান লড়াই চালিয়ে গেলেও ৬ বলে ৫ রান করে ফেরেন অধিনায়ক সালমান আলী আঘা।
এরপর বাবর আজমকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস গড়েন ফারহান। পাওয়ারপ্লেতে ২ উইকেটে ৪৬ রান তোলে পাকিস্তান। ২৪ বলে ২৫ রান করে আউট হন বাবর। ফারহান খেলেন ৪৫ বলে ৬৩ রানের ঝলমলে ইনিংস। ফখর জামান ১৬ বলে ২৫ এবং শাদাব খান ১১ বলে ২৩ রানের ঝড়ো ক্যামিও ইনিংস খেললে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬৪ রান তোলে পাকিস্তান।
ইংল্যান্ডের হয়ে লিয়াম ডওসন ৩টি, জেমি ওভারটন ও জফরা আর্চার ২টি করে এবং আদিল রশিদ ১টি উইকেট নেন।
১৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। প্রথম বলেই ফিল সল্টকে ফেরান শাহীন শাহ আফ্রিদি। পরের ওভারে আউট হন জস বাটলারও। ১৭ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় ইংল্যান্ড।
সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন হ্যারি ব্রুক। জ্যাকব বেথেল ও টম ব্যান্টন দ্রুত ফিরলেও একপ্রান্ত আগলে খেলতে থাকেন ব্রুক। ২৮ বলে ফিফটি তুলে নেওয়ার পর আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠেন তিনি। মাত্র ৫০ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ব্রুক। শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে ১০০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে আউট হন তিনি। সাথে স্যাম কারান (১৫ বলে ১৬) ও উইল জ্যাকস (২৩ বলে ২৮) বেশ ভালো অবদান রাখেন।
শেষ ওভারে দরকার ছিল ৩ রান। প্রথম বলেই চার মেরে ম্যাচ শেষ করেন আদিল রশিদ। ৫ বল হাতে রেখে ২ উইকেটে জয় পায় ইংল্যান্ড।
পাকিস্তানের হয়ে শাহীন শাহ আফ্রিদি ৪টি এবং উসমান তারিক ও মোহাম্মদ নওয়াজ ২টি করে উইকেট নেন।
এই জয়ে সেমিফাইনালে জায়গা পাকা করল ইংল্যান্ড, আর পাকিস্তানের সমীকরণ হয়ে গেল আরও কঠিন।