
ছবি: সংগৃহীত
বাঁচা-মরার ম্যাচে দাপুটে ব্যাটিংয়ে ইতিহাস গড়লেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামান। দুজনে মিলে গড়লেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ উদ্বোধনী জুটি—১৭৭ রান। ফারহানের দুর্দান্ত শতকে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ২১২ রান তুলেছে পাকিস্তান।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পাল্লেকেল্লেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন দুই ওপেনার। সেমিফাইনালে যেতে বড় ব্যবধানে জয়ের লক্ষ্য সামনে রেখে পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৬৪ রান তোলে পাকিস্তান।
৯.৫ ওভারে দলীয় শতরান পূর্ণ হয়। ১০ ওভার শেষে দুজনই তুলে নেন অর্ধশতক। ১৪ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ১৫০ রান। এরপর তারা ভেঙে দেন আগের ১৭৬ রানের উদ্বোধনী জুটির রেকর্ড, যা চলতি আসরেই চেন্নাইয়ে টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেন গড়েছিলেন। ১৭৭ রানের জুটি ভাঙে দুশমন্থ চামিরার বলে। ৪২ বলে ৮৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন ফখর, যেখানে ছিল ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা।
অন্যদিকে ফারহান থামেননি। ৫৯ বলে তুলে নেন নিজের দ্বিতীয় শতক। এর আগে গ্রুপ পর্বে নামিবিয়ার বিপক্ষে করেছিলেন অপরাজিত ১০০। এক আসরে দুই শতক করা প্রথম ব্যাটার হিসেবে নতুন ইতিহাস গড়েন তিনি। ঠিক ১০০ রানে মাথিশা পাথিরানার বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এই আসরে এখন পর্যন্ত ৩৮৩ রান করে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকও তিনি।
তবে ওপেনিং জুটি ভাঙার পর পাকিস্তানের মিডল অর্ডারে ধস নামে। খাজা নাফে (২), শাদাব খান (৭), মোহাম্মদ নওয়াজ (০) এবং অধিনায়ক সালমান আলি আগা (০) দ্রুত বিদায় নিলে রানের গতি কিছুটা থমকে যায়। শেষদিকে শাহিন আফ্রিদি ৪ এবং উসমান খান ৮ রান করে অপরাজিত থাকেন।
শ্রীলঙ্কার পক্ষে বল হাতে সফল ছিলেন দিলশান মাদুশাঙ্কা, তিনি শিকার করেন ৩টি উইকেট। এছাড়া দাসুন শানাকা ২টি এবং দুশমন্থ চামিরা ১টি উইকেট নেন।