
সংগৃহীত ছবি
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক বাজারে দ্রুত বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় অচিরেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকট দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের দোকানপাট ও শপিংমলে আলোকসজ্জা এবং অপ্রয়োজনীয় বাতি বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।
শনিবার রাজধানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সংগঠনটির সভাপতি হেলাল উদ্দিন জানান, জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের প্রভাবেই বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
হেলাল উদ্দিন বলেন, আগামীকাল (রোববার) থেকে দেশের বিভিন্ন মার্কেট ও শপিংমলে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা হবে। পাশাপাশি যেসব বাতি অপ্রয়োজনীয়, সেগুলোও বন্ধ রাখা হবে।
এরই মধ্যে সরকার দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানি তেল সরবরাহে রেশনিং ব্যবস্থার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। দেশে পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ঠেকাতে রোববার থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার কথাও জানান তিনি।