
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ববাজারে সোনার দামে উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে এই মূল্যহ্রাস ঘটেছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর বৈশ্বিক বাজারে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এতে নিকট ভবিষ্যতে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় সোনার দাম নিম্নমুখী হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্পট গোল্ডের দাম ১.২ শতাংশ কমে ৫ হাজার ১০৯.৩৯ ডলারে নেমেছে। দিনের শুরুতে এই পতনের হার ২ শতাংশের বেশি ছিল। অন্যদিকে, আগামী এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ০.৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১১৮.২০ ডলারে।
ইউএসবির বিশ্লেষক জিওভ্যানি স্ট্যাউনভো জানান, আর্থিক বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলে অনেক সময় প্রথম প্রতিক্রিয়ায় সোনার দাম কমে যেতে পারে। কারণ সোনা অত্যন্ত তরল সম্পদ হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা দ্রুত নগদ অর্থের প্রয়োজন হলে এটি বিক্রি করে দেন।
এদিকে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় বৈশ্বিকভাবে জীবনযাত্রার ব্যয় ও সুদের হার বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ফলে নিরাপদ সম্পদের খোঁজে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলারের দিকে ঝুঁকছেন। এতে ডলারের সূচক তিন মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানের কাছাকাছি পৌঁছেছে।
সোনার পাশাপাশি রুপা ও প্লাটিনামের বাজারেও পতন দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৮৪ দশমিক ০৭ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম ১ শতাংশ কমে ২ হাজার ১১৩ দশমিক ৯৭ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬০৪ দশমিক ০৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।