
ইরানের নারী জাতীয় ফুটবল দল
অস্ট্রেলিয়া সরকারের দেওয়া রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহণকারী ইরানের নারী জাতীয় ফুটবল দলের সাত সদস্যের একজন নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে আবারও ইরানে ফিরে যেতে চেয়েছেন বলে বুধবার নিশ্চিত করেছে অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (এবিসি)।
অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক জানিয়েছেন যে ওই নারী খেলোয়াড় নিজেই ইরানি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাকে সেই হোটেল থেকে নিয়ে যান যেখানে দলের অন্য সদস্যরা অবস্থান করছিলেন। সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আগে অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তারা ওই খেলোয়াড়ের সঙ্গে কথা বলেছেন যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে এটি তার একান্তই নিজস্ব সিদ্ধান্ত।
ইরানি দূতাবাস দলের বাকি সদস্যদের অবস্থান জেনে ফেলায় নিরাপত্তার খাতিরে অন্যদের দ্রুত অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অস্ট্রেলিয়াকে এই নারী ফুটবলারদের আশ্রয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে দেশে ফিরতে বাধ্য করা হলে এই খেলোয়াড়রা গুরুতর ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন।
২০২৬ এএফসি নারী এশিয়ান কাপে অংশ নিতে অস্ট্রেলিয়া আসে ইরানি দল। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে জাতীয় সংগীতের সময় খেলোয়াড়রা নীরব থেকে তেহরান সরকারের বিরুদ্ধে এক অভিনব প্রতিবাদ জানান যা বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দেয়। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের পর দলের সাতজন সদস্য সুরক্ষা ভিসার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে ইরানের ফুটবল ফেডারেশন অভিযোগ করেছে যে অস্ট্রেলিয়া সরকার খেলোয়াড়দের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এই আশ্রয় নিতে বাধ্য করেছে।