
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ।। ছবি- সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের খরচ ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে অবস্থান পরিবর্তনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ডান-বাম উভয় দিক থেকেই সমালোচনার মুখে পড়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, প্রশাসন একদিকে যুদ্ধের কারণ হিসেবে ইরানের হুমকির কথা বলছে, আবার অন্যদিকে সেই হুমকি অস্বীকার করছে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি দাবি করেছেন, ইরান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে কোনো হুমকি নেই। তিনি একটি প্রতিবেদনের সমালোচনা করে বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রে হামলার কোনো পরিকল্পনা করেনি। তবে এই বক্তব্যের পর ডেমোক্র্যাট দলের এক সিনেটর প্রশ্ন তোলেন—যদি ইরান কোনো হুমকি না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র কেন যুদ্ধে জড়িয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু সমালোচকদের মতে, এই দাবির পক্ষে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রেও পেট্রোলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকরা ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেছেন, নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি তেলের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, কিন্তু এখন উল্টো বেশি তেলের দামকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য লাভজনক বলে দাবি করছেন।
বাংলা টেলিগ্রাফ ভিজ্যুয়াল