
পবিত্র শবে কদরের ছুটির দিনেও সচিবালয়ে ‘কৃষক কার্ড’ নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী
কৃষকের মুখে হাসি না ফুটলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) পবিত্র শবে কদরের ছুটির দিনেও সচিবালয়ে ‘কৃষক কার্ড’ নিয়ে আয়োজিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি তাই এই খাতের উন্নয়ন ছাড়া দেশের অগ্রগতি সম্ভব নয়। সকাল ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে গিয়ে কৃষক কার্ড চালুর বিষয়ে গঠিত কমিটির কার্যক্রমের সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে কৃষক কার্ড চালুর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত কৃষকদের সরাসরি সরকারি সুবিধা নিশ্চিত করা। এর মাধ্যমে সার, বীজ, কীটনাশক এবং আর্থিক সহায়তা পেতে কৃষকদের আর মধ্যস্বত্বভোগীর হয়রানির শিকার হতে হবে না। সরাসরি সহায়তা পৌঁছানোর মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমানো এবং কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন এই প্রযুক্তিগত উদ্যোগ কৃষি খাতে এক নতুন বিপ্লব নিয়ে আসবে।
একই দিনে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনের দুই প্রশাসক। সাক্ষাৎ শেষে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম জানান প্রধানমন্ত্রী ঢাকাকে নিয়ে অত্যন্ত সচেতন। তিনি সবসময় ঢাকার প্রতিটি কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর রাখতে চান এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। ঢাকা শহরকে একটি পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক মহানগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দুই প্রশাসককে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান ঢাকা উত্তর সিটির অসমাপ্ত কাজগুলো দ্রুত শেষ করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে সিটি করপোরেশনকে আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। ছুটির দিনেও প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মব্যস্ততা এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরাসরি তদারকি কর্মকর্তাদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে। ঢাকার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এবং কৃষি কার্ডের সফল বাস্তবায়নে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন।