
ফাইল ছবি
২০২৬ সালে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণের সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা। আন্তর্জাতিক ভ্রমণ তালিকায় বাংলাদেশের পাসপোর্টের অবস্থান এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিতে এই সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। সম্পূর্ণ ভিসা-মুক্ত নীতির আওতায় ভ্রমণকারীদের কোনো ধরনের ভিসা ফি পরিশোধ করতে হবে না; এ ক্ষেত্রে বৈধ পাসপোর্টই ভ্রমণের একমাত্র প্রয়োজনীয় নথি হিসেবে বিবেচিত হবে।
ভিসা ছাড়াই সরাসরি ভ্রমণ: বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা কোনো আগাম ভিসা ছাড়াই বিশ্বের ২১টি দেশে সরাসরি ভ্রমণ করতে পারবেন। এই তালিকায় রয়েছে— এশিয়ার ভুটান; প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ফিজি, কিরিবাতি, মাইক্রোনেশিয়া, নিউ, কুক আইল্যান্ডস ও ভানুয়াতু। এছাড়া ক্যারিবীয় ও আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বার্বাডোস, বাহামাস, গ্রানাডা, গাম্বিয়া, হাইতি, জামাইকা, ডোমিনিকা, সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস, মাদাগাস্কার, মন্টসেরাট, ভার্জিন আইল্যান্ডস, রুয়ান্ডা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো এবং সেন্ট ভিনসেন্ট অ্যান্ড দ্য গ্রেনাডিনস।
অন-অ্যারাইভাল বা পৌঁছানোর পর ভিসা: বিশ্বের আরও ১৭টি দেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দর থেকেই ভিসা (ভিসা অন অ্যারাইভাল) সংগ্রহের সুযোগ পাবেন বাংলাদেশিরা। এই তালিকায় রয়েছে— নেপাল, মালদ্বীপ, কম্বোডিয়া, বলিভিয়া, বুরুন্ডি, কাবো ভার্দে, জিবুতি, গিনি-বিসাউ, কোমোরোস, মৌরিতানিয়া, মোজাম্বিক, সিশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, তিমুর-লেসতে, টুভ্যালু ও সামোয়া।
ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ইটিএ): অন্যদিকে, কিছু দেশে ভ্রমণের আগে অনলাইনে ‘ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন’ বা ইটিএ সংগ্রহ করতে হবে। এই সুবিধা পাওয়া যাবে শ্রীলঙ্কা ও কেনিয়ার ক্ষেত্রে।
মূলত পর্যটন শিল্পকে চাঙ্গা করতে এবং ভ্রমণ প্রক্রিয়া সহজতর করতেই দেশগুলো বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য এই বিশেষ সুবিধা প্রদান করছে। তবে ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বা সরকারি ওয়েবসাইট থেকে মেয়াদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।