
আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ৮৭ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
চীনের প্রসাধনী বাজার ২০২৫ সালে ১ ট্রিলিয়ন ইউয়ান অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রসাধনী তদারকি সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির জাতীয় চিকিৎসা পণ্য প্রশাসন।
সম্মেলনে সংস্থাটির এক কর্মকর্তা জানান, ২০২৫ সালে দুটি নতুন প্রসাধনী উপাদান নিবন্ধনের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং মোট ১৬৯টি নতুন উপাদান ফাইলিংয়ের মাধ্যমে নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫০টি দেশীয় এবং ১৯টি আমদানিকৃত উপাদান রয়েছে।
আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা ৮৭ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রসাধনী উপাদান ব্যবস্থাপনায় চীনে বড় পরিবর্তন আসে ২০২১ সালে, যখন প্রসাধনী তত্ত্বাবধান ও প্রশাসন প্রবিধান কার্যকর হয়। এর আগে সব নতুন উপাদানের জন্য নিবন্ধন বাধ্যতামূলক ছিল, যার ফলে তিন দশকে মাত্র ১৪টি নতুন উপাদান অনুমোদন পায়। নতুন দ্বৈত পদ্ধতি—নিবন্ধন ও ফাইলিং—চালু হওয়ার পর থেকে নতুন উপাদানের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।
শিল্প তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীনের প্রসাধনী বাজার ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ইউয়ান ছাড়িয়ে গেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। একই সময়ে প্রসাধনী রপ্তানি ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ৭ দশমিক ৮২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা বছরে ৯.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে।
২০২৬ সালে প্রসাধনী খাতে তদারকির ক্ষেত্রে শিশুদের প্রসাধনী, বিশেষ ব্যবহারযোগ্য পণ্য, অ্যান্টি-রিঙ্কল, ত্বক প্রশান্তকারী ও অ্যান্টি-অ্যাকনে দাবিকৃত পণ্য, পাশাপাশি কেন্দ্রীভূত বাজার ও বিউটি সেলুনগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
কর্মকর্তারা আরও জানান, ২০২৬ সাল থেকে শুরু হচ্ছে ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২৬-২০৩০)। এই সময়ে ২৪টি সংস্কারমূলক পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে চীনকে একটি বড় প্রসাধনী উৎপাদনকারী দেশ থেকে বিশ্বমানের প্রসাধনী শক্তিতে পরিণত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিএমজি