
২০২৩ সালে চীনকে ছাড়িয়ে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে পরিণত হয়
ভারতে বিশ্বের বৃহত্তম জাতীয় জনগণনা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ত্রিশ লাখেরও বেশি কর্মকর্তা এক বছরব্যাপী এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন, যা দেশের কল্যাণমূলক কর্মসূচি ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
বুধবার (১ এপ্রিল) শুরু হওয়া এই জনগণনা আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত চলবে। প্রথম ধাপে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আবাসন ও জীবনযাত্রার তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সরাসরি জরিপের পাশাপাশি স্মার্টফোন অ্যাপের মাধ্যমেও তথ্য দেওয়ার সুযোগ থাকছে।
সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় ধাপ, যেখানে ধর্ম, জাতি ও সামাজিক-অর্থনৈতিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
ভারতে কাস্ট বা জাত ব্যবস্থা দীর্ঘদিনের সামাজিক কাঠামো, যা সামাজিক অবস্থান ও সুযোগ-সুবিধায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে এ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দীর্ঘদিন ধরে হালনাগাদ করা হয়নি এবং এটি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।
এই জনগণনার তথ্যের ভিত্তিতে সরকারি সহায়তা বণ্টন ও বিভিন্ন নীতিনির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে সংসদ ও রাজ্য আইনসভায় আসন পুনর্বিন্যাসের সম্ভাবনাও রয়েছে।
উল্লেখ্য, ভারতে সর্বশেষ জনগণনা হয় ২০১১ সালে, যেখানে জনসংখ্যা ছিল ১.২১ বিলিয়ন। বর্তমানে তা ১.৪ বিলিয়নের বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৩ সালে চীনকে ছাড়িয়ে ভারত বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে পরিণত হয়।