
ছবি: বাফুফে
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপের ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানের এক হৃদয়বিদারক হার নিয়ে মাঠ ছাড়ল বাংলাদেশ। সাগরিকার ঐতিহাসিক জোড়া গোলের পরও দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ১০ মিনিটের এক অবিশ্বাস্য বিপর্যয়ে জয়ের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের।
ম্যাচের শুরু থেকেই স্বাগতিক থাইল্যান্ডের ওপর দাপট দেখিয়ে খেলতে থাকে আফঈদার দল। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে গোল করে ইতিহাস গড়েন সাগরিকা। এশিয়ান কাপের (বয়সভিত্তিক) মূল মঞ্চে বাংলাদেশের কোনো নারী ফুটবলার হিসেবে প্রথম গোলের কীর্তি গড়েন তিনি। বিরতির পর ৪৯ মিনিটে নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ২-০ করেন এই স্ট্রাইকার। তখন মনে হচ্ছিল, স্বাগতিকদের মাটিতে এক ঐতিহাসিক জয় নিয়েই মাঠ ছাড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
ম্যাচের চিত্রপট পুরোপুরি বদলে যায় ৬৯ মিনিটে। বক্সের ভেতর সুরভী আক্তার আরফিন ফাউল করলে পেনাল্টি পায় থাইল্যান্ড। স্পট কিক থেকে গোল করে ব্যবধান ২-১ করেন কুরিসারা। প্রথম গোল হজমের পর খেই হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ৭৬ মিনিটে আবারও পেনাল্টি পায় স্বাগতিকরা। এবার রিনায়াপাত গোল করে দলকে ২-২ সমতায় ফেরান।
ম্যাচের ৭৯ মিনিটে বাংলাদেশের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন পিচায়াতিদা। তার গোলে ৩-২ ব্যবধানে লিড নেয় থাইল্যান্ড। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে জোড়া পেনাল্টিসহ তিন গোল হজম করে স্তব্ধ হয়ে পড়ে বাংলাদেশের ডাগআউট।
ম্যাচের বাকি সময়ে সমতায় ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও থাই রক্ষণভাগ আর কোনো ভুল করেনি। ফলে দারুণ শুরুর পরও শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের স্বস্তি রূপ নেয় ৩-২ গোলের হতাশাজনক হারে। ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের পরবর্তী দুই প্রতিপক্ষ শক্তিশালী চীন ও ভিয়েতনাম।