
নারী বা তারকাদের আপত্তিকরভাবে ভিডিও ধারণ ও শরীরের নির্দিষ্ট অংশে অনুমতি ছাড়া ক্যামেরা জুম করার প্রবণতার বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। রৈাজ সামানির এক পডকাস্টে তিনি বলেন, এ ধরনের আচরণ “আক্রমণাত্মক” এবং “অসম্মতিমূলক”।
জাহ্নবী বলেন, “আমরা কী পোশাক পরলাম সেটা বিচার্য নয়। এর মানে এই নয় যে কেউ আমাদের শরীরকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করবে। এতে আমাদের পাশাপাশি যারা এমন কনটেন্ট বানায় তাদেরও খারাপ বার্তা যায়।”
তিনি স্পষ্ট করে জানান, সিনেমায় চরিত্রের প্রয়োজনে সেন্সুয়াল পারফরম্যান্স দেওয়া আর বাস্তবে কাউকে অনুমতি ছাড়া বাজেভাবে দেখানোর মধ্যে পার্থক্য আকাশ-পাতাল। উদাহরণ হিসেবে তিনি নিজের ‘ভিগি সাদি’ গানের উল্লেখ করে বলেন, তা ছিল চরিত্রের চাহিদা—কিন্তু সেটিকে বিকৃতভাবে ব্যবহার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিনেত্রী জানান, পাপারাজ্জিদের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। যদিও তারা বুঝতে শুরু করেছে, তবুও তার মতে সমস্যার শিকড় আরও গভীরে—এটি দর্শকের চাহিদার সঙ্গে সম্পর্কিত। “বিশ্বজুড়েই নারীদের অবজেক্টিফাই করা কনটেন্ট বেশি দেখা হয়, তাই এগুলো বারবার তৈরি হয়,” বলেন তিনি।
জাহ্নবী এআই-নির্মিত ভিডিও ও সম্পাদিত ভুয়া ক্লিপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। অনেক সময় এমনভাবে ভিডিও এডিট করা হয়, যা তিনি কখনো অনুমতি দেননি—এটা তার ভাবমূর্তি ও পেশাগত ভবিষ্যতের ওপরও প্রভাব ফেলছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সবশেষে জাহ্নবী জানান, এসব কারণেই তিনি ইদানীং নিজেকে কিছুটা আড়ালে রাখছেন। “মানুষ আমাকে যেভাবে দেখছে সেটা আমার ভালো লাগছে না। এখন সবকিছু ভাবতে-চিন্ততে করতে হচ্ছে। এখনও এমন অবস্থানে পৌঁছাইনি যে সবকিছু উপেক্ষা করতে পারি—তাই আপাতত সতর্ক থাকছি,” বলেন তিনি।
সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা