
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সোমবার (৬ এপ্রিল) ‘ভোটার তালিকা (সংশোধন) বিল-২০২৬’ সহ গুরুত্বপূর্ণ ৭টি বিল কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে স্থায়ী আইনে রূপান্তরের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এদিন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান মোট ১০টি বিল উত্থাপন করেন। এর মধ্যে ৭টি বিল পাস হলেও বাকি ৩টি বিল নিয়ে আপত্তি থাকায় অধিকতর আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে।
পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে— ভোটার তালিকা (সংশোধন) আইন-২০২৬, রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২৬, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় (সংশোধন) আইন-২০২৬ এবং নির্বাচন কমিশন কর্মচারী (বিশেষ বিধান) সংশোধন আইন-২০২৬।
এছাড়া জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ (সংশোধন) আইন-২০২৬, জাতীয় সংসদ সচিবালয় (অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ বিধান) রহিতকরণ আইন-২০২৬ এবং বাংলাদেশ ল-অফিসার্স (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২৬ বিলটিও এদিন পাস হয়।
অন্যদিকে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনপ্রচলন) আইন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় রহিতকরণ আইন এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ রহিতকরণ—এই ৩টি বিলের ওপর আপত্তি থাকায় সেগুলো সংসদের বিশেষ কমিটিতে পর্যালোচনার জন্য রাখা হয়েছে। একই দিনে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা’ সংক্রান্ত একটি বিল উত্থাপন করলে সেটিও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, গত ২ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশকে স্থায়ী আইনে রূপান্তরের সুপারিশ করে রিপোর্ট দেয়। সেই তালিকার অংশ হিসেবেই প্রথম দফায় ১০টি বিল উত্থাপন করা হয়। পর্যায়ক্রমে বাকি অধ্যাদেশগুলোকেও আইনে পরিণত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।