
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমারও ইঙ্গিত দিয়েছে
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হলেও তেল-গ্যাসের দাম দ্রুত স্বাভাবিক হবে না বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালী আংশিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন যেখানে ১২০–১৪০টি জাহাজ চলাচল করত, সেখানে যুদ্ধবিরতির পরও খুব কম সংখ্যক জাহাজ চলাচল করছে, যা সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগার ইঙ্গিত দেয়। এছাড়া অবকাঠামো ক্ষতি ও উৎপাদন বন্ধ থাকায় এলএনজি ও তেলের বাজার পুরোপুরি স্থিতিশীল হতে কয়েক মাস লাগতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাব পড়ছে সার, নির্মাণসামগ্রীসহ বিভিন্ন খাতে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমারও ইঙ্গিত দিয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাজারে অনিশ্চয়তা বজায় থাকবে। তাছাড়া বীমা খরচ ও নিরাপত্তা ঝুঁকিও তেলের দামে প্রভাব ফেলছে।
এদিকে, কিছু দেশ উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ায় সরবরাহ ঘাটতি আরও বেড়েছে। এসব উৎপাদন পুনরায় চালু করতে কয়েক সপ্তাহ থেকে মাসখানেক সময় লাগতে পারে, যা দাম কমার প্রক্রিয়াকে আরও ধীর করে দেবে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি স্থায়ী না হলে এবং সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানির দাম পুরোপুরি স্বাভাবিক হবেনা।