
সংগৃহীত ছবি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত সময় অনুযায়ী ইরানের সব বন্দর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ কার্যকর হয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, অবরোধের আওতাভুক্ত জলসীমায় প্রবেশকারী যেকোনো জাহাজকে থামানো, পথ পরিবর্তনে বাধ্য করা কিংবা জব্দ করা হতে পারে।
ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় সকাল ১০টা (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা) থেকে এই অবরোধ কার্যকর হয় বলে জানানো হয়েছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, অবরোধ শুরুর আগেই নাবিক ও যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সংস্থাকে সতর্ক করা হয়েছিল। সতর্কবার্তায় জানানো হয়, এই অবরোধ পতাকা নির্বিশেষে সব ধরনের জাহাজ চলাচলের ওপর প্রযোজ্য হবে।
তবে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস সংস্থা জানায়, ইরানের বাইরে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে সাধারণ ট্রানজিট প্যাসেজ এই নিষেধাজ্ঞার কারণে সরাসরি বাধাগ্রস্ত হওয়ার কথা নয়। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়, ওই অঞ্চলে প্রবেশকারী জাহাজগুলো সামরিক উপস্থিতির ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
এর আগে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, ইরান আলোচনায় ফিরুক বা না ফিরুক, এতে তাঁর কিছু যায় আসে না। ফ্লোরিডা থেকে ফেরার পর মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরান আলোচনায় না ফিরলেও তাঁর কোনো সমস্যা নেই।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ওই আলোচনা এক দশকেরও বেশি সময় পর প্রথম সরাসরি বৈঠক ছিল এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ের আলোচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল।
আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, সোমবার থেকে ইরানের সব বন্দরে অবরোধ শুরু করা হবে।
আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক্সে দেওয়া পোস্টে দাবি করেন, ইসলামাবাদে আলোচনার সময় তেহরান ও ওয়াশিংটন একটি চুক্তির “খুব কাছাকাছি” ছিল, মাত্র কয়েক ধাপ দূরেই ছিল সমঝোতা।
সূত্র: আল–জাজিরা