
সংগৃহীত ছবি
বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে এনে তা কৃষক ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া অর্থ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি ও কৃষি প্রণোদনার মাধ্যমে সরাসরি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
সোমবার দুপুরে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ীর শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের দ্বিতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতের স্বৈরাচারী শাসনামলে দেশের বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে আইনি প্রক্রিয়ায় সেই অর্থ দেশে ফিরিয়ে এনে কৃষক ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজে লাগানো।

অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় পর্যায়ে গাবতলীর ৯১১ জন উপকারভোগীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হয়। সরকার জানিয়েছে, চলতি এপ্রিল মাসের মধ্যেই দেশের আরও ২৩টি উপজেলায় এই কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।
সরকার গঠনের এক মাসের মাথায় গত ১০ মার্চ পরীক্ষামূলকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম শুরু হয়। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানো এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানদের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হচ্ছে।
নারীর ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে নারী ও পুরুষকে সমানভাবে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার সবসময় প্রান্তিক মানুষের পাশে থাকবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী এই কর্মসূচিকে জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।