
এর আগে এত বড় সংখ্যায় এসব নৌযান মোতায়েন করতে দেখা যায়নি
হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অচলাবস্থা নিরসনের কোনো লক্ষণ না থাকায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে সাবেক মার্কিন জেনারেল মার্ক কিমিট আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, দুই পক্ষই কার্যত এক ধরনের অবরোধ বজায় রাখছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের বুঝতে হবে, এখানে দ্বৈত অবরোধ চলছে। ইরানও পথ বন্ধ করছে, আবার যুক্তরাষ্ট্রও একই কাজ করছে।’
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা প্রসঙ্গে কিমিট পরিস্থিতির গুরুত্ব কিছুটা কমিয়ে দেখিয়ে বলেন, সম্ভাব্য নতুন আলোচনা শুরুর আগের এই অন্তর্বর্তী সময়ে সামরিক বাহিনীর এমন তৎপরতা স্বাভাবিক। ‘এ সময়টায় সেনাবাহিনী সাধারণত পরিস্থিতি যাচাই-বাছাই করে, আর এখন মূলত সেটাই হচ্ছে’।

হরমুজ প্রণালীতে নজরদারির জন্য ইরানের স্পিডবোট মোতায়েন প্রসঙ্গে কিমিট বলেন, ইরানের প্রচলিত নৌবাহিনী শক্তিশালী না হলেও তারা অসম বা ‘অ্যাসিমেট্রিক’ কৌশলে লড়াই করছে। ‘এই স্পিডবোটগুলোর মাধ্যমে তারা সেই কৌশল প্রয়োগ করছে। এর আগে এত বড় সংখ্যায় এসব নৌযান মোতায়েন করতে দেখা যায়নি,’ তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সম্প্রতি যে নতুন ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এই স্পিডবোট বহর সেটিরই অংশ হতে পারে। ‘আমার ধারণা, সামনে আমরা এ ধরনের কার্যক্রম আরও বেশি দেখতে পাব,’ বলেন কিমিট।
বাংলা টেলিগ্রাফ ভিজ্যুয়াল