
ফাইল ছবি
দেশের পাঁচ জেলায় রোববার বজ্রপাতে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে দুজন করে এবং পঞ্চগড়ে, বগুড়া ও নাটোরে একজন করে মারা গেছেন।। বিভিন্ন এলাকায় আরও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা তাপপ্রবাহের পর রোববার ঢাকাসহ রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতও হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মাসের বাকি দিনগুলোতেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে, এতে তাপপ্রবাহ কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
গাইবান্ধায় বিকেলে পৃথক ঘটনায় শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় এসব ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে একজন আহত হন এবং একটি গরুও মারা যায়।

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজন মারা গেছেন। তারা মাঠ থেকে বাড়ি ফেরার সময় ও জমিতে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান।
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায় মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
জামালপুরে পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও চারজন। বজ্রপাতে পাঁচটি গরুও মারা গেছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় চা-পাতা তুলে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে এক চা-শ্রমিক নিহত হন। আহত হয়েছেন আরও দুই শ্রমিক। জানা গেছে, নিহত ওই যুবক মাত্র আট দিন আগে বিয়ে করেছিলেন।
নাটোরের সিংড়া উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের ঠেংগা পাকুরিয়া গ্রামে বজ্রপাতে সম্রাট হোসেন (২৬) নামে এক ধানকাটা শ্রমিক নিহত হন। তিনি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার নগরডালা গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, ঝড়-বৃষ্টির সময় আশ্রয় নিতে গিয়ে বজ্রাঘাতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের মুচিখালী গ্রামে বজ্রপাতে সুমন (৩৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বাড়ির পাশের মাঠ থেকে ছাগল আনতে গেলে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান।