
সংগৃহীত ছবি
গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার দেশকে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে—এমন অভিযোগ করেছেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শনিবার (২ মে) খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ’-এর আড়ালে সরকার জনগণের সরাসরি রায়কে অস্বীকার করছে, যা জনগণের ম্যান্ডেটের বিরুদ্ধে অবস্থান।
তিনি দাবি করেন, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে ‘জুলাই সনদ’ ও গণভোটের রায়কে আলাদা করে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। সংসদে মন্ত্রীরা সনদ বাস্তবায়নের কথা বললেও গণভোটের রায় কার্যকর করার বিষয়ে নীরব রয়েছেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রশ্ন তোলেন, গণভোটের আগে দীর্ঘ সময় থাকা সত্ত্বেও কেন কোনো আপত্তি ওঠেনি, অথচ এখন তা অসাংবিধানিক বলা হচ্ছে। তার মতে, এটি সরকারের দ্বিচারিতা।
সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাব নিয়েও তিনি বলেন, গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে আপত্তির কারণে সংস্কারের মূল কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে ক্ষমতার ভারসাম্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের প্রস্তাবগুলোতে আপত্তি তোলায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
গণভোটে বিপুল জনগণের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই রায় সংসদের প্রতিনিধিত্বমূলক ক্ষমতার চেয়েও বেশি শক্তিশালী। তাই তা অস্বীকার করা মানে জনগণের সার্বভৌমত্ব অস্বীকার করা।
শেষে তিনি সতর্ক করে বলেন, সংসদে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়া হতে পারে এবং সংকট এড়াতে সরকারকে দ্রুত জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানান।