
ফাইল ছবি
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। একই সঙ্গে বিশ্বের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।
বুধবার মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আলোচনার আশায় আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত তেলের দাম এক পর্যায়ে ১০ শতাংশেরও বেশি কমে যায়। তবে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সেই পতনের গতি কিছুটা কমে প্রায় ২ শতাংশে নেমে আসে। বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতি শান্ত হলে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, যার প্রভাবে তেলের দাম আরও স্থিতিশীল হতে পারে।
তেলের বাজারে অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতেও। ইউরোপের শেয়ারবাজারে আগের দিনের বড় উত্থানের পর বৃহস্পতিবার সূচক কিছুটা নিম্নমুখী ছিল। তবে এর উল্টো চিত্র দেখা গেছে এশিয়ায়; সেখানকার প্রধান বাজারগুলোতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল।
বিনিয়োগ বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার যে প্রাথমিক উচ্ছ্বাস বাজারে তৈরি হয়েছিল, তা এখন কিছুটা স্তিমিত হচ্ছে। সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ‘ওয়েলথ ক্লাব’-এর প্রধান বিনিয়োগ কৌশলবিদ সুজানা স্ট্রিটার বলেন, “মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত হওয়ার যে আশা তৈরি হয়েছিল, বিনিয়োগকারীরা এখন বুঝতে পারছেন দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে পৌঁছাতে আরও অনেক বাধা অতিক্রম করতে হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদিও ইরান যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শান্তি প্রস্তাব খতিয়ে দেখছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে, তবুও পরিস্থিতি পুরোপুরি স্থিতিশীল হতে আরও সময়ের প্রয়োজন।