
ফাইল ছবি
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে সামনে রেখে ভারসাম্যপূর্ণ ও বহুমাত্রিক পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি বলেছেন, বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করতে চায় বাংলাদেশ এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশনির্ভর নীতি অনুসরণ করবে না সরকার।
শনিবার (৯ মে) রাজধানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ আয়োজিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ : নতুন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে দ্রুত পরিবর্তন আসছে এবং একক শক্তির আধিপত্যের যুগ শেষের দিকে। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশকে কৌশলগতভাবে নমনীয় ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সব দেশের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখলেও কোনো দেশের ওপর নির্ভরশীল হবে না বাংলাদেশ। জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব বজায় রেখেই স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
অর্থনৈতিক কূটনীতিকে নতুন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি জানান, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ বাড়াতে কাজ করবে সরকার। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক সেতুবন্ধনে পরিণত করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
ইন্দো-প্যাসিফিক প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহযোগিতামূলক অবস্থান সমর্থন করে। কোনো পক্ষ না নিলেও বাণিজ্য, সংযোগ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে বাংলাদেশ।