
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ ও পারমাণবিক ইস্যুতে সম্ভাব্য সমঝোতার আলোচনা নতুন মোড় নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি চুক্তির “খুব কাছাকাছি” পৌঁছে গেছে। তবে উভয় পক্ষই এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সবচেয়ে বড় মতভেদের জায়গা হিসেবে সামনে এসেছে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কর্মসূচি।
শনিবার সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য একটি খসড়া চুক্তি দেখেছেন। তবে সেটি যথেষ্ট ভালো কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যে কোনো চুক্তির মূল লক্ষ্য হবে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করেন, সমঝোতা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হলেও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে এখনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। তিনি ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে “পরস্পরবিরোধী বক্তব্য” দেওয়ার অভিযোগও তোলেন।
এদিকে মধ্যস্থতার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির তেহরান সফর করেছেন। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনায় ইরানের ১৪ দফা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে বার্তা বিনিময় হয়েছে বলে জানা গেছে।
ইরানের নেতারা স্পষ্ট করে বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ ও “বৈধ অধিকার” প্রশ্নে তেহরান কোনো আপস করবে না। গালিবাফ মন্তব্য করেন, যুক্তরাষ্ট্রকে নির্ভরযোগ্য পক্ষ হিসেবে দেখা যায় না এবং যুদ্ধ আবার শুরু হলে তার জবাব আরও কঠোর হবে।
অন্যদিকে গাজা ইস্যুতে নতুন উত্তেজনা তৈরি হয়েছে ইউরোপেও। ফ্রান্স ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গাভিরের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো বলেন, গাজায় ফ্লোটিলা কর্মীদের প্রতি তাঁর আচরণ “অগ্রহণযোগ্য” এবং ফরাসি নাগরিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন মেনে নেওয়া হবে না।
সূত্র: সিবিএস নিউজ












































