
সংগৃহীত ছবি
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। একইভাবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগরেহি বলেছেন, দুই পক্ষের অবস্থান আগের তুলনায় অনেক কাছাকাছি এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, সম্ভাব্য চুক্তির আওতায় যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানো হতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির সময় হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে কোনো টোল নেওয়া হবে না এবং ইরান সেখানে পাতা মাইন অপসারণ করবে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থাকা কিছু নিষেধাজ্ঞাও শিথিল করতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।
সম্ভাব্য সমঝোতায় ইরান প্রতিশ্রুতি দিতে পারে যে তারা কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করবে না। একই সঙ্গে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি নিয়ে ভবিষ্যতে আরও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানোর কথা বলা হয়েছে। এছাড়া অবরুদ্ধ ইরানি তহবিল থেকে অর্থ ব্যবহারের সুযোগও দেওয়া হতে পারে।
চুক্তির অংশ হিসেবে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি চলাকালে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা মোতায়েন থাকবে। তবে চূড়ান্ত সমঝোতা হলে ধাপে ধাপে সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা রয়েছে। উভয় পক্ষের সম্মতিতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ানোর সুযোগও রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, আলোচনায় ইরানের সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়াম ত্যাগের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। তবে এসব তথ্য এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো।
সূত্র: বিবিসি











































