
পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপনে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ/ছবি: সংগৃহীত
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আজ সোমবার (২৫ মে) থেকে শুরু হয়েছে ঈদের টানা সাতদিনের ছুটি। পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উপলক্ষে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটি কার্যকর থাকবে। সেই হিসাবে গতকাল রোববারই (২৪ মে) ছিল ঈদের আগে সরকারি চাকুরিজীবীদের শেষ কর্মদিবস।
আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দেশে মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সরকারের বিশেষ নির্বাহী আদেশে এবার দীর্ঘ এই ছুটির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
সাধারণত ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগে থেকেই ছয়দিন ছুটি নির্ধারিত করে রেখেছিল সরকার। তবে যাতায়াত সহজ করতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আরও একদিন ছুটি বাড়িয়ে টানা সাতদিনের ছুটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এই দীর্ঘ ছুটি শেষে আগামী ১ জুন পুনরায় খুলবে সরকারি অফিস।
তবে এই ছুটির বিপরীতে এর আগে গত শনিবার (২৩ মে) সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সরকারি চাকরিজীবীরা পুরোদমে অফিস করেছেন। সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৮ মে ঈদের দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। এছাড়া ঈদের আগে ২৫, ২৬ ও ২৭ মে এবং ঈদের পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে, যার চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
তবে এই দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও দেশের জরুরি সেবা খাতগুলো পুরোপুরি সচল থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, টেলিফোন, ইন্টারনেট ও ডাক সেবার মতো জরুরি বিষয়গুলো এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। একই সঙ্গে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত হাসপাতাল, চিকিৎসক, কর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহনগুলো নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবে।
এছাড়া ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট পৃথক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে। অন্যদিকে, বেসরকারি খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কল-কারখানার ছুটির ক্ষেত্রে ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।