
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনায় কিছু অগ্রগতি হলেও চূড়ান্ত কোনো চুক্তি এখনই হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সোমবার তেহরানে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই বলেন, আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে ঠিকই, তবে চুক্তি স্বাক্ষর খুব কাছাকাছি—এমন দাবি করার সময় এখনো আসেনি।
তিনি বলেন, ‘আলোচনার বড় একটি অংশে আমরা অগ্রগতি অর্জন করেছি। কিন্তু এটাকে আসন্ন চুক্তি বলা যাবে না।’
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, সোমবারই হয়তো কোনো সমঝোতার খবর আসতে পারে।
ভারতের নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, ‘গত রাতে কিংবা আজ কোনো অগ্রগতির ঘোষণা আসতে পারে বলে আমরা আশা করেছিলাম।’ তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি কিছু ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।’
আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য সমঝোতার মধ্যে রয়েছে—৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানো, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা চালানো।
গত সপ্তাহে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে দুই পক্ষ সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে পরে তিনি বলেন, আলোচকদের তিনি ‘তাড়াহুড়া না করতে’ নির্দেশ দিয়েছেন।
যোগাযোগ জটিলতায় ধীর হচ্ছে আলোচনা
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বর্তমানে গোপন স্থানে অবস্থান করছেন। যুদ্ধে তার বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর থেকেই নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি আড়ালে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ কারণে তার প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ জটিল হয়ে পড়েছে এবং আলোচনার গতি ধীর হচ্ছে বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।