
ফাইল ছবি
রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আজকের দিন ধার্য করেছে আদালত। আজ বুধবার (০৩ জুন) নিজের স্বপক্ষে যুক্তি, প্রমাণ ও বক্তব্য তুলে ধরে নিজেকে নির্দোষ হিসেবে প্রমাণের সুযোগ পাবেন আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন।
আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থন শেষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ধার্য করা হবে বলে জানিয়েছেন মামলার স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু।
এর আগে, অভিযোগ গঠনের পর, গতকাল একদিনেই শেষ হয়, রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। রামিসার পরিবার, পুলিশ কর্মকর্তা,ম্যাজিস্ট্রেটসহ সাক্ষ্য দিয়েছেন ১৬ জন। সাক্ষ্যতে উঠে আসে, রামিসা হত্যার লোমহর্ষক তথ্য। সন্তান হত্যায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন রামিসার পরিবার।
এর আগে গতকাল এক দিনেই শেষ হয়েছে চাঞ্চল্যকর রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরে ভিকটিমের মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন ও কনস্টেবল রোমা আক্তার, কনস্টেবল শরীফ মিয়া, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইকবাল হোসেন, ময়নাতদন্ত প্রস্তুত করা ডা. নাসাদ জাবিন, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ, এসআই রাশেদুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের এসআই অহিদুজ্জামান পর্যায়ক্রমে আদালতে জবানবন্দি দেন। সাক্ষীদের জেরা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কলিমউল্লাহ।