
ইসরায়েলের হামলার পর রাস্তায় নেমে আসে ইরানের সাধারণ জনগন
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান তাদের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে দ্বিতীয় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এতে দেশজুড়ে একাধিক এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে ইসরায়েলি হামলায় ইরানের রাজধানী তেহরান, তাবরিজ এবং ইসফাহানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে ইসরায়েল গতকাল লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপশহরে বিমান হামলা চালায়। ওই হামলায় অন্তত দুইজন নিহত এবং ২০ জন আহত হন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এর পরপরই ইরান উত্তর ইসরায়েলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা এখন সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকির দিকে এগোচ্ছে। একই সঙ্গে লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সম্পৃক্ততার বিষয়টিও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কূটনৈতিকভাবে চাপ দিচ্ছেন। তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন এবং তাকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, সংকট নিয়ন্ত্রণে তিনিই মূল সিদ্ধান্তগুলো পরিচালনা করছেন।
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং দ্রুত যুদ্ধবিরতির জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তবে ক্রমাগত হামলা-পাল্টা হামলার কারণে পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।