
সংগৃহীত ছবি
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা শুরু হলেও সাধারণ ইরানিদের জন্য একটি স্বস্তির খবর হলো—দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগ এখনো চালু রয়েছে। দীর্ঘ তিন মাসের ডিজিটাল অচলাবস্থার পর মাত্র এক সপ্তাহ আগে ইন্টারনেট সেবা স্বাভাবিক হতে শুরু করে, আর চলমান সংঘাতের মধ্যেও তা বন্ধ করা হয়নি।
আরেকটি ইতিবাচক দিক হলো, সর্বশেষ হামলা-পাল্টা হামলায় এখন পর্যন্ত কোনো বেসামরিক হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, দূর থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলেও হামলার মূল লক্ষ্য ছিল সামরিক স্থাপনা। বিশেষ করে ইরানের বড় শহরগুলোর বাইরে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে একটি অ-সামরিক স্থাপনাও হামলার শিকার হয়েছে। ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় খুজেস্তান প্রদেশের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় হামলার খবর পাওয়া গেছে। এর আগের দফার সংঘাতেও একই স্থাপনায় হামলা হয়েছিল। তবে এবারও সেখানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে, ইরান দাবি করেছে যে তারা পাল্টা জবাবে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফার একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
সাম্প্রতিক এই হামলা-পাল্টা হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যন্ত বেসামরিক প্রাণহানি না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি বিরাজ করছে। তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে বলে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে উভয় পক্ষ।