
ফাইল ছবি
হজ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্ধারিত ফিরতি ফ্লাইটের মাধ্যমে হাজিদের দেশে ফেরানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অধিকাংশ হাজি ইতোমধ্যে নিরাপদে দেশে ফিরলেও কিছু সংখ্যক হাজির ফেরার প্রক্রিয়া এখনও সম্পন্ন হয়নি।
হজ এজেন্সি ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে হাজিদের ফিরতি যাত্রা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। বিমান ও সৌদি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে হাজিদের দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
ফিরতি যাত্রী পরিবহনে শীর্ষে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সংস্থাটি এখন পর্যন্ত ১৯ হাজার ৮৩২ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। এছাড়া সৌদি এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ফিরেছেন ১৮ হাজার ১২১ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৭ হাজার ৭০০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ২ হাজার ৭৫০ জন হাজি।
হাজিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে এ পর্যন্ত মোট ১১২টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৪৮টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৪৫টি এবং ফ্লাইনাস ১৯টি ফ্লাইট।
এদিকে হজ চলাকালে যেসব বাংলাদেশি হাজি মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের জন্য সৌদি আরবে প্রয়োজনীয় ধর্মীয় ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। মৃতদের পরিবারকে হজ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
মৃত ৪৯ হাজির মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ১৬ জন নারী। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৫ জন, মদিনায় ১৩ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেছেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাজিদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে এবারের হজ কার্যক্রমে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়। তবুও বার্ধক্য ও শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে কিছু হাজির মৃত্যু হয়েছে।
হজ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আশা করছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অবশিষ্ট হাজিদের ফিরতি যাত্রা সম্পন্ন হবে এবং পুরো কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করা সম্ভব হবে।