
সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশ ছাত্রশিবিরের এক নেতাকে ঘিরে নিখোঁজের ঘটনা, ধর্ষণ ও ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ এবং এ সংক্রান্ত মামলার প্রসঙ্গ তুলে জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ। তার বক্তব্যের পর বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ তাহের আপত্তি জানালে সংসদে তীব্র হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
রোববার (১৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কুমিল্লা থেকে নিখোঁজ হওয়া ছাত্রশিবির নেতা জিসান মিয়া প্রধান প্রেমের সম্পর্কের জেরে এক নারীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেন এবং তাকে জোরপূর্বক ভ্রূণ নষ্টের ওষুধ খাওয়ানোর অভিযোগ রয়েছে।
তিনি দাবি করেন, নির্ধারিত বিয়ের আগের রাতে জিসান নিজেই আত্মগোপন করেছিলেন এবং পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জিসানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর বিরোধীদলীয় উপনেতা তাহের অভিযোগ করেন, একটি অনিষ্পন্ন ও বিতর্কিত বিষয়কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংসদে আনা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক দলকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তিনি জিসানের অবস্থান ও তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
এ সময় সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়ে সংসদ কক্ষে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল হস্তক্ষেপ করে বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষার আশ্বাস দেন এবং প্রয়োজনে অসংসদীয় বক্তব্য সংসদীয় কার্যবিবরণী থেকে বাদ দেওয়ার কথা জানান। তার রুলিংয়ের পর পরিস্থিতি শান্ত হলে সংসদের নির্ধারিত কার্যসূচি অনুযায়ী সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনা শুরু হয়।