
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী || ছবি: সংগৃহীত
ঋণনির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প অর্থায়ন নিয়ে ভাবা হচ্ছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ব্যাংক ঋণ নেওয়ার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে চায় সরকার।
রোববার (২১ জুন) রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বাজেট ২০২৬ অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, যে কোনো সরকার দায়িত্বে এলে সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম রাজনৈতিক লোকজন দিয়ে পরিচালনা করতে চায়। নতুন সরকার ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সে পথে হাটেনি। সরাসরি যেন সুবিধাভোগী টাকা পায় সে ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার বাজেটের নানা দিক এখনও খতিয়ে দেখছে। এই বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে। কর ও জিডিপির অনুপাত ভালো না। পুরো বিশ্বে বর্তমানে বিদেশি ঋণ কমে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতির মধ্যে আমাদের বাজেট ঘোষণা করতে হয়েছে।
তিনি বলেন, আগের সরকার শুধু ৫০ হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিলই রেখে গেছে। তার উপর মধ্যপ্রাচ্যে সংকটের কারণে ব্যয় বেড়েছে। ফলে মানুষের পুরো অর্থনৈতিক কাঠামোকে আমরা নতুনভাবে দেখছি। এনবিআরের পলিসি বিভাগ আমলাদের দিয়ে চলবে না। সেখানে কর বিশেষজ্ঞরা দায়িত্ব পাবেন।
তিনি বলেন, আমাদের এনবিআরকে সচল করতে হবে। অনেকে ট্যাক্স না দেয়াটাকে ভালো কিছু ভাবেন। এই মানসিকতা থাকলে দেশ এগোবে না। যে কোনো ব্যক্তি কোনো পণ্য রফতানি করতে চাইলেই বন্ড সুবিধা পাবেন। আর বন্ড না নিলে কর সুবিধা দেওয়া হবে ।
স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে বাজেট প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বছর মোট বাজেটের ২ শতাংশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ করা হয়েছে। আমি বলবো না এটি কম হয়েছে। কিন্ত ৫ শতাংশ আমাদের লক্ষ্য। আমরা ইশতেহারেও বলেছি স্বাস্থ্য খাতে আমরা ৫ শতাংশে যাবো। স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ছাড়া আমরা বক্তৃতা দিতে পারবো কিন্তু কোন কিছু অর্জন হবে না। এটি সত্য যে, আপনাকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা্খাতে বিনিয়োগ করতে হবে। আপনার দক্ষতা বাড়াতে হবে।