
গাজীপুরের টঙ্গীর রেলগেট এলাকায় ফয়েল তৈরির কারখানা ‘ট্যাম্পাকো ফয়েলস প্যাকেজিং’-এ বয়লার বিস্ফোরিত হয়েছে। এতে সৃষ্ট আগুনে কমপক্ষে ২১ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে অর্ধ শতাধিক মানুষ। আগুনে ভবনের বেশির ভাগ অংশ ধসে গেছে।আজ শনিবার ভোর ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজনের পরিচয় জানা গেছে। তাঁদের একজন কারখানার নিরাপত্তারক্ষী দেলোয়ার। অপরজন আনোয়ার। তিনি কারখানার শ্রমিক ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।টঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বলেন, রাতের শিফটে কাজ করার সময় ট্যাম্পাকো ফয়েলস প্যাকেজিংয়ের বয়লার বিস্ফোরিত হয়। এতে সৃষ্ট আগুনে ঘটনাস্থল ও টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে ১৭ জন নিহত হয়। আর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চারজন নিহত হয়। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে রেলগেট এলাকায় কারখানায় বয়লার বিস্ফোরিত হয়। এতে সৃষ্ট আগুন পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। ওই কারখানায় রাতের শিফটের কাজ চলছিল। বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয় অর্ধশতাধিক শ্রমিক। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তর, টঙ্গী ও জয়দেবপুরের ১৯টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে যোগ দেয়। আমাদের ঢামেক হাসপাতাল সংবাদদাতা জানান, টঙ্গীতে বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে ২০ জনকে হাসপাতালটিতে আনা হয়। তাদের মধ্যে চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
তদন্ত কমিটি
এদিকে গাজীপুরে বয়লার বিস্ফোরণে বহু হতাহতের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।
ক্ষতিপূরণ ঘোষণা
এদিকে বয়লার বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেছেন শ্রম ও কর্মস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক। তিনি বলেন, আগুনে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে এক লাখ টাকা এবং আহত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এনটিভি।