শুক্রবার । মে ৮, ২০২৬
বাংলা টেলিগ্রাফ ডেস্ক জাতীয় ৭ মে ২০২৬, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শেয়ার

মন্ত্রিসভায় ‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা’র খসড়া অনুমোদন


PM Cabinet meeting

বৃৃহস্পতিবার (৭ মে) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়

সারাদেশে স্বাস্থ্যসম্মত, মানসম্মত ও ব্যবহারবান্ধব পাবলিক টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করতে ‘জাতীয় পাবলিক টয়লেট নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে প্রণীত এ নীতিমালায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বৃদ্ধি এবং নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য উপযোগী টয়লেট ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

বৃৃহস্পতিবার (৭ মে) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদিত খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, পাবলিক টয়লেট ব্যবহারে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতার জন্য টেকসই ব্যবস্থাপনা ও অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি নীতিমালার বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী তা হালনাগাদের ব্যবস্থাও রাখা হবে।

নীতিমালায় নারী, শিশু, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য পৃথক ও ব্যবহারবান্ধব টয়লেট সুবিধা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে সব ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে নারীদের জন্য পৃথক টয়লেট নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, সকল পাবলিক টয়লেটে বর্জ্য সংরক্ষণের জন্য সেফটি ট্যাংক নির্মাণ বাধ্যতামূলক হবে। কোনো অবস্থাতেই টয়লেটের বর্জ্য নদী, খাল-বিল বা অন্য কোনো জলাশয়ে ফেলে পানি দূষণের সুযোগ রাখা যাবে না।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়কে সমন্বিতভাবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে টয়লেট ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো উদ্যোগ নেবে।

সড়ক ও মহাসড়কে যাত্রীদের জন্য পৃথক নারী ও পুরুষ পাবলিক টয়লেট স্থাপনে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ যৌথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলেও নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।